<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>childrenvoice.com ॥ the first online children newspaper</title>
	<atom:link href="http://childrenvoice.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://childrenvoice.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Sep 2010 05:44:02 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.0.1</generator>
		<item>
		<title>মানুষে পোলাও মাংস খায়, আমরা ফুল বেচি</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/09/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/09/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 03 Sep 2010 05:44:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Ashik</dc:creator>
				<category><![CDATA[তোমাদের লেখা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=218</guid>
		<description><![CDATA[রোকুনুজ্জামান সেলিম ‘ঈদের দিনে মানুষ পোলাও মাংস খায়। আর আমরা রাস্তায় ফুলের মালা বেচি।’ এভাবেই বলছিলো আলম, ওর বয়স সাত। চলছে রোজা। ক’দিন পরেই ঈদুল ফিতর। এদিনটির জন্য শিশুরা কত কি না করে! ঘর থেকে বাইরে বের হলেই এর দেখা মেলে। কিন্তু আলমের জীবন এর বিপরীত। তার মনে যেন কোন আনন্দই বাসা বাঁধে না। রজব আলী ও হালিমা বেগমের চার সন্তানের মধ্যে ৩য় আলম। বাবা অসুস্থ, তাই মায়ের সাথে সে ঢাকার শাহবাগ ও রমনা পার্কে ফুলের মালা বিক্রি করে। সামনে ঈদ, কেমন লাগছে? জিজ্ঞাসা করলে আলম বলে, - ভালো না। - কেন? - মানুষে পোলাও মাংস খায়, আমরা ফুল বেচি। - নতুন কাপড় নেবে না? - স্যারেরা দেবে। আলম ‘আপন স্কুল’ এ পড়ে। গত ঈদে সেখান থেকেই প্যান্ট আর গেঞ্জি দিয়েছিল। এবার ঈদেও ওরা দেবে এ আসায় বুক বেঁধে আছে। যেখানে সারা দিন মালা বিক্রি করে ওর আয় হয় ৫০-৮০ টাকা সেখানে এমন আশা করাটাই স্বাভাবিক নয় কি? হয়তো এই ভেবেই আলম চেয়ে থাকে তার মায়ের মুখের দিকে, যেন নিরবে জিজ্ঞেস করতে চায়, মা কাপড় কি পাবো? কিন্তু আদৌ জানে না এবার ঈদে নতুন জামা তার গায়ে আসবে কিনা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="aligncenter" title="Childrenvoice.com" src="http://www.banglanews24.org/newlocation/images/imgAll/Iner20100903110348.jpg" alt="" width="480" height="346" /></p>
<p>রোকুনুজ্জামান সেলিম</p>
<p><span style="background-color: #ffffff;">‘ঈদের দিনে মানুষ পোলাও মাংস খায়। আর আমরা রাস্তায় ফুলের মালা বেচি।’ এভাবেই বলছিলো আলম, ওর বয়স সাত।</span><br />
চলছে রোজা। ক’দিন পরেই ঈদুল ফিতর। এদিনটির জন্য শিশুরা কত কি না করে! ঘর থেকে বাইরে বের হলেই এর দেখা মেলে। কিন্তু আলমের জীবন এর বিপরীত। তার মনে যেন কোন আনন্দই বাসা বাঁধে না। রজব আলী ও হালিমা বেগমের চার সন্তানের মধ্যে ৩য় আলম। বাবা অসুস্থ, তাই মায়ের সাথে সে ঢাকার শাহবাগ ও রমনা পার্কে ফুলের মালা বিক্রি করে।</p>
<p>সামনে ঈদ, কেমন লাগছে? জিজ্ঞাসা করলে আলম বলে,<br />
- ভালো না।<br />
- কেন?<br />
- মানুষে পোলাও মাংস খায়, আমরা ফুল বেচি।<br />
- নতুন কাপড় নেবে না?<br />
- স্যারেরা দেবে।</p>
<p>আলম ‘আপন স্কুল’ এ পড়ে। গত ঈদে সেখান থেকেই প্যান্ট আর গেঞ্জি দিয়েছিল। এবার ঈদেও ওরা দেবে এ আসায় বুক বেঁধে আছে। যেখানে সারা দিন মালা বিক্রি করে ওর আয় হয় ৫০-৮০ টাকা সেখানে এমন আশা করাটাই স্বাভাবিক নয় কি? হয়তো এই ভেবেই আলম চেয়ে থাকে তার মায়ের মুখের দিকে, যেন নিরবে জিজ্ঞেস করতে চায়, মা কাপড় কি পাবো? কিন্তু আদৌ জানে না এবার ঈদে নতুন জামা তার গায়ে আসবে কিনা।</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/09/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ছোটদের নজরুল</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/09/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/09/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 02 Sep 2010 04:12:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Ashik</dc:creator>
				<category><![CDATA[তোমাদের লেখা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=214</guid>
		<description><![CDATA[হাসিবুল হাসান আশিক সংসারের নানা দু:খ কষ্টের মধ্যে জন্ম নেয়া সন্তানটির নামা রাখা হয় দুখু মিয়া। ছোট্ট সেই দুখু মিয়া একদিন অনেক বড় হয়েছিলেন। দেশজুড়ে তাঁর খ্যাতি। সে খ্যাতির কারণে আজও আমরা তাকে চিনি। ছোট্ট সেই দুখু মিয়াই হচ্ছেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তার বাবার নাম ফকির আহমদ, মায়ের নাম জাহেদা খাতুন। ফকির আহমদের ছিল তিন ছেলে আর এক মেয়ে। প্রথম সন্তানের জন্মের পর তার পরপর চারটি সন্তানের মৃত্যু হয়। এরপর নজরুলের জন্ম। মহান এই কবি ১৮৯৯ সালের ২৫ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়া গ্রামের জন্মগ্রহণ করে। নজরুল কিন্তু শুধু কবিই ছিলেন না। একই সাথে তিনি গীতিকার, সুরকার, সাংবাদিক, রাজনীতিবীদ, সৈনিক, দার্শনিকও ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। তাঁর কবিতা ও গানে এই মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে সবসময়। অস্বচ্ছল মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা নজরুলের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। স্থানীয় এক মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে কাজ করলেও সেসময় তিনি বিভিন্ন থিয়েটার দলের সাথে কাজ করতেন। একটু বড় হয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুদিন কাজ করার পর তিনি সাংবাদিকতায় যোগ দেন। এসময় তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে থাকা অবসস্থায় তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন। এসময় তিনি প্রকাশ করেন তাঁর ঐতিহাসিক বিদ্রোহী এবং ভাঙার গানের মত কবিতা। একারণে তাকে জেলেও [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img class="aligncenter" title="nozrul" src="http://www.banglanews24.org/newlocation/images/imgAll/Out20100827112953.jpg" alt="" width="220" height="175" />হাসিবুল হাসান আশিক</p>
<p>সংসারের নানা দু:খ কষ্টের মধ্যে জন্ম নেয়া সন্তানটির নামা রাখা হয় দুখু মিয়া। ছোট্ট সেই দুখু মিয়া একদিন অনেক বড় হয়েছিলেন। দেশজুড়ে তাঁর খ্যাতি। সে খ্যাতির কারণে আজও আমরা তাকে চিনি। ছোট্ট সেই দুখু মিয়াই হচ্ছেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তার বাবার নাম ফকির আহমদ, মায়ের নাম জাহেদা খাতুন। ফকির আহমদের ছিল তিন ছেলে আর এক মেয়ে। প্রথম সন্তানের জন্মের পর তার পরপর চারটি সন্তানের মৃত্যু হয়। এরপর নজরুলের জন্ম। মহান এই কবি ১৮৯৯ সালের ২৫ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়া গ্রামের জন্মগ্রহণ করে।</p>
<p>নজরুল কিন্তু শুধু কবিই ছিলেন না। একই সাথে তিনি গীতিকার, সুরকার, সাংবাদিক, রাজনীতিবীদ, সৈনিক, দার্শনিকও ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। তাঁর কবিতা ও গানে এই মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে সবসময়।</p>
<p>অস্বচ্ছল মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা নজরুলের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। স্থানীয় এক মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে কাজ করলেও সেসময় তিনি বিভিন্ন থিয়েটার দলের সাথে কাজ করতেন। একটু বড় হয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুদিন কাজ করার পর তিনি সাংবাদিকতায় যোগ দেন। এসময় তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে থাকা অবসস্থায় তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন। এসময় তিনি প্রকাশ করেন তাঁর ঐতিহাসিক বিদ্রোহী এবং ভাঙার গানের মত কবিতা। একারণে তাকে জেলেও যেতে হয়েছে। ছোট গল্প, উপন্যাস, নাটক লিখলেও তিনি মূলত কবি হিসেবেই বেশি পরিচিত।</p>
<p>তোমাদের জন্য অনেক মজার ছড়া লিখেছেন নজরুল। তার লেখা পিলে পটকা, খাঁদু-দাদু, মট্কু মাইতি, লিচুচোর আর খুকি ও কাঠবিড়ালীর মতো শিশুতোষ মজার ছড়া অন্য কোন কবি আজও লিখেতে পারেননি।</p>
<p>বাংলা কাব্য তিনি এক নতুন ধারার জন্ম দেন। এটি হল ইসলামী সঙ্গীত তথা গজল। বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকা আসেন। এসময় তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। এদেশেই তিনি ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র (১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট) মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/09/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দেশের সবচেয়ে বৃহৎ শিশুতোষ গ্রন্থাগার</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8b/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8b/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 30 Aug 2010 18:33:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Ashik</dc:creator>
				<category><![CDATA[সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=209</guid>
		<description><![CDATA[চারদিকে কেবলই শিশু পাঠক। তারপরও নীরবতা। নেই কোন কোলাহল। যে যার ইচ্ছা মত বই নিচ্ছে, পড়ছে। সামান্য কথা বলার সময়টুকুও যেন কারও নেই। বৃহস্পতিবার স্কুল শেষে এমনই ভাবে মুখরিত হয়ে উঠে দেশের সবচেয়ে বৃহৎ শিশুতোষ গ্রন্থাগারটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দোয়েল চত্বরের পাশে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে অবস্থিত এই গ্রন্থাগারের নাম জোবেদা খানম গ্রন্থাগার। শিশু একাডেমী প্রতিষ্ঠার সময়ই থেকেই গ্রন্থাগারের সূত্রপাত। ১৯৯২ সালে শিশু একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জোবেদা খাতুনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে গ্রন্থাগারের নামকরণ করা হয় জোবেদা খানম গ্রন্থাগার। বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর প্রশাসনিক ভবনের দোতলায় নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত এই গ্রন্থাগারে রয়েছে একসাথে ২’শ শিশু-কিশোরের বসে বই পাঠের সুবিধা। শিশুতোষ গ্রন্থাগার বলে শুধু যে শিশু-কিশোরাই এই গ্রন্থাগারে আসে তা কিন্তু নয়। প্রতিদিনই নানা গবেষণার কাজে এখানে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ গবেষকরা। কারণ এখানে রয়েছে পাঁচ শতাধিক বিশ্বকোষ ও জার্নাল। এছাড়াও রয়েছে ৩১ হাজারেরও বেশী বই। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জীবনী গ্রন্থের সমৃদ্ধ সংগ্রহ রয়েছে এই গ্রন্থাগারে। এখানে প্রতিদিনই রাখা হয় ৭টি পত্রিকা। বর্তমানে গ্রন্থাগারের সদস্য সংখ্যা ৬ শতাধিক। প্রতিদিনই বাড়ছে সদস্যদের সংখ্যা। সাধারণত স্কুল শিক্ষার্থীরাই গ্রন্থাগারের সদস্য হাতে পারে এবং কেবল মাত্র তারাই বাসায় বই নিয়ে পড়ার সুযোগ পায়। সদস্য ফি ১০০ টাকা। তবে গ্রন্থাগারে বসে যে কেউ বই পড়তে পারে। গ্রন্থাগারটি সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য রয়েছেন একজন গ্রন্থাগারিক, গ্রন্থাগার সহকারী, [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a rel="attachment wp-att-210" href="http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8b/in20100819111659/"><img class="aligncenter size-medium wp-image-210" title="IN20100819111659" src="http://childrenvoice.com/wp-content/uploads/2010/08/IN20100819111659-300x211.jpg" alt="" width="300" height="211" /></a>চারদিকে কেবলই শিশু পাঠক। তারপরও নীরবতা। নেই কোন কোলাহল। যে যার ইচ্ছা মত  বই নিচ্ছে, পড়ছে। সামান্য কথা বলার সময়টুকুও যেন কারও নেই। বৃহস্পতিবার  স্কুল শেষে এমনই ভাবে মুখরিত হয়ে উঠে দেশের সবচেয়ে বৃহৎ শিশুতোষ  গ্রন্থাগারটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দোয়েল চত্বরের পাশে বাংলাদেশ শিশু  একাডেমীতে অবস্থিত এই গ্রন্থাগারের নাম জোবেদা খানম গ্রন্থাগার। শিশু  একাডেমী প্রতিষ্ঠার সময়ই থেকেই গ্রন্থাগারের সূত্রপাত। ১৯৯২ সালে শিশু  একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জোবেদা খাতুনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে  গ্রন্থাগারের নামকরণ করা হয় জোবেদা খানম গ্রন্থাগার।</p>
<p>বাংলাদেশ শিশু  একাডেমীর প্রশাসনিক ভবনের দোতলায় নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত এই গ্রন্থাগারে  রয়েছে একসাথে ২’শ শিশু-কিশোরের বসে বই পাঠের সুবিধা। শিশুতোষ গ্রন্থাগার  বলে শুধু যে শিশু-কিশোরাই এই গ্রন্থাগারে আসে তা কিন্তু নয়। প্রতিদিনই নানা  গবেষণার কাজে এখানে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  শিক্ষার্থীসহ গবেষকরা। কারণ এখানে রয়েছে পাঁচ শতাধিক বিশ্বকোষ ও জার্নাল।  এছাড়াও রয়েছে ৩১ হাজারেরও বেশী বই। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জীবনী  গ্রন্থের সমৃদ্ধ সংগ্রহ রয়েছে এই গ্রন্থাগারে। এখানে প্রতিদিনই রাখা হয় ৭টি  পত্রিকা।</p>
<p>বর্তমানে গ্রন্থাগারের সদস্য সংখ্যা ৬ শতাধিক। প্রতিদিনই  বাড়ছে সদস্যদের সংখ্যা। সাধারণত স্কুল শিক্ষার্থীরাই গ্রন্থাগারের সদস্য  হাতে পারে এবং কেবল মাত্র তারাই বাসায় বই নিয়ে পড়ার সুযোগ পায়। সদস্য ফি  ১০০ টাকা। তবে গ্রন্থাগারে বসে যে কেউ বই পড়তে পারে। গ্রন্থাগারটি সুষ্ঠু  ভাবে পরিচালনার জন্য রয়েছেন একজন গ্রন্থাগারিক, গ্রন্থাগার সহকারী,  ক্যাটালগারসহ আরও বেশ কয়েকজন কর্মী। দেশের সবচেয়ে বৃহৎ এই শিশুতোষ  গ্রন্থাগারকে সমৃদ্ধ করতে সম্প্রতি ব্রিটিশ কাউন্সিল ইংরেজী ভাষার ২০০টি  শিশুতোষ বই দিয়েছে। শিশু একাডেমীর এই গ্রন্থাগারের মত দেশের সব শিশু  একাডেমীতেও রয়েছে শিশুতোষ গ্রন্থাগার। তবে সবক’টি গ্রন্থাগারের মধ্যে  জোবেদা খাতুন গ্রন্থাগারটি সবচেয়ে সমৃদ্ধ বলে সূত্র জানায়।</p>
<p>গ্রন্থাগারের  নিয়মিত পাঠক আব্দুল্লাহ হাসান জানায়, সুযোগ পেলেই সে এখানে বই পড়তে চলে  আসে। বই পড়ার পাশাপাশি সাহিত্য আসর, পাঠচক্রসহ গ্রন্থাগারের প্রায় সব  আয়োজনেই সে অংশ নেয়। গ্রন্থাগারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতোমধ্যে সে একটি  শিশুতোষ চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছে।</p>
<p>শিশুদেরকে শিশুতোষ বই পাঠের  প্রতি আগ্রহী করে তোলাই জোবেদা খাতুন গ্রন্থাগারের মূল লক্ষ্য নয়। পাশাপাশি  এই গ্রন্থাগারের উদ্যোগে বছর জুড়ে আয়োজন করা হয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতা,  সেমিনার, পাঠচক্রসহ নানা অনুষ্ঠান। গ্রন্থাগারের সদস্যরা ছাড়াও এসব  অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থী ও শিশু সংগঠনের সদস্যরা স্বতস্ফুর্ত  ভাবে অংশ নেয়। সম্প্রতি ঢাকার ৩২টি স্কুল নিয়ে জোবেদা খানম গ্রন্থাগারের  উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো আন্ত:স্কুল কুইজ প্রতিযোগিতা। যেখানে অংশ নেয় ৪৫০ জন  শিক্ষার্থী। সবচেয়ে মজার হলো এই গ্রন্থাগারের উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথম  শিশু-কিশোরদের প্রশিণ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ও অনুষ্ঠান নির্মাণ কর্মশালার  আয়োজন করা হয়। প্রতিবছর অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় ২০ জন শিশু-কিশোরকে বিভিন্ন  প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই করে প্রশিণ দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে দিয়ে  শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মান করানো হয়। গ্রন্থাগারের অনন্য এসব কাজে উৎসাহ  প্রদান করেন শিল্পী মোস্তফা মনোয়ার, ড. জাফর ইকবাল, আনিসুল হকসহ দেশের  বরেণ্য বক্তিরা।</p>
<p>বই পাঠের পাশাপাশি শিশুদেরকে প্রযুক্তিগত ভাবে দক্ষ  করে গড়ে তোলার জন্য গ্রন্থাগারটিতে মিডিয়া ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন  কর্ণার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। যেখানে শিশুদেরকে কমপিউটার, ইন্টারনেট,  ব্লগিং, সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিণ দেয়া হবে জানিয়েছেন  গ্রন্থাগারিক রেজিনা আক্তার।</p>
<p><em><strong>প্রতিবেদনটি তৈরী করেছে  চৈতী, আনিকা, আফিফা, সুরভী, দিপ্তী, নিশান, সাগর, রেদোয়ান, আজিজ, মেহেদী</strong></em></p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a7%8e-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8b/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভূতুড়ে চুরি</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 30 Aug 2010 18:15:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Ashik</dc:creator>
				<category><![CDATA[গল্প]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=203</guid>
		<description><![CDATA[আতিয়ার রহমান কোনো এক নীরব গ্রামের মেঠো পথ ধরে এক রিকশা চালক রিকশা চালিয়ে যাচ্ছে বাড়ির দিকে। সূর্য পশ্চিমে লাল হয়ে গেছে একটু পরেই সন্ধ্যা নামবে, আগে ভাগেই বাড়ি গিয়ে বিশ্রাম নেয়ার কথা ভাবতে ভাবতে চালিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ দেখে সামনে দুজন লোক দাড়িয়ে তাকে থামাবার জন্য হাত দেখাচ্ছে। চালক ভাবলো দিনের শেষের খ্যাপটা মেরেই একবারে বাড়ি চলে যাই। তাদের সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো ‘কোথায় যাবেন বাহে’ জিজ্ঞেস করেই দেখলো তাদের সাথে পাটিতে বাধাঁ একটা লাশ। তারা বলল গোরস্তানে যাব, দাফন করতে হবে। সবাই ওখানেই আছে শুধু লাশটা নিয়ে যেতে হবে। রিকশা চালক বলল ‘গোরস্তান তো ১০ থিকা ১২ মাইল ফাড়াক, তাও আবার লাশ, পারবোনা বাহে’। তারা বলল, তোমাকে ৫০০ টাকা দেবো। চালক ভাবলো সারাদিন রিকশা চালিয়ে পেলাম ১৫০ টাকা আর এক খ্যাপে ৫০০ টাকা! ‘ঠিক আছে লাশ উঠান’। তারা বলল, লাশ কি আর পায়ের তলে নিয়ে যাব, তুমি বরং লাশ নিয়ে যাও আমরা অন্য রিকশা নিয়ে পেছন পেছন আসছি। ‘ঠিক আছে একটু সুন্দর করে ধরে উঠাই দ্যান’। লাশ নিয়ে রিকশা চালক ছুটলো গোরস্তানের দিকে। মাইল দু’এক দূরে গিয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখে তাদের কোন খবর নেই। সে ভাবলো মনে হয় রিকশা পায়নি তাই দেরি হচ্ছে, সে আবার রিকশা চালাতে লাগল। মাটির পথের দু’ধারে কড়ই, মেহেগুনী আর কৃষ্ণচূড়া গাছের সারি, এরই মধ্যে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a rel="attachment wp-att-204" href="http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf/in20100829111254/"><img class="aligncenter size-medium wp-image-204" title="In20100829111254" src="http://childrenvoice.com/wp-content/uploads/2010/08/In20100829111254-300x198.jpg" alt="" width="300" height="198" /></a>আতিয়ার রহমান</p>
<p>কোনো এক নীরব গ্রামের মেঠো পথ ধরে এক রিকশা চালক রিকশা  চালিয়ে যাচ্ছে বাড়ির দিকে। সূর্য পশ্চিমে লাল হয়ে গেছে একটু পরেই সন্ধ্যা  নামবে, আগে ভাগেই বাড়ি গিয়ে বিশ্রাম নেয়ার কথা ভাবতে ভাবতে চালিয়ে যাচ্ছে।  হঠাৎ দেখে সামনে দুজন লোক দাড়িয়ে তাকে থামাবার জন্য হাত দেখাচ্ছে।</p>
<p>চালক ভাবলো দিনের শেষের খ্যাপটা মেরেই একবারে বাড়ি চলে যাই। তাদের সামনে  গিয়ে জিজ্ঞেস করলো ‘কোথায় যাবেন বাহে’ জিজ্ঞেস করেই দেখলো তাদের সাথে  পাটিতে বাধাঁ একটা লাশ। তারা বলল গোরস্তানে যাব, দাফন করতে হবে। সবাই  ওখানেই আছে শুধু লাশটা নিয়ে যেতে হবে। রিকশা চালক বলল ‘গোরস্তান তো ১০ থিকা  ১২ মাইল ফাড়াক, তাও আবার লাশ, পারবোনা বাহে’। তারা বলল, তোমাকে ৫০০ টাকা  দেবো। চালক ভাবলো সারাদিন রিকশা চালিয়ে পেলাম ১৫০ টাকা আর এক খ্যাপে ৫০০  টাকা! ‘ঠিক আছে লাশ উঠান’। তারা বলল, লাশ কি আর পায়ের তলে নিয়ে যাব, তুমি  বরং লাশ নিয়ে যাও আমরা অন্য রিকশা নিয়ে পেছন পেছন আসছি। ‘ঠিক আছে একটু  সুন্দর করে ধরে উঠাই দ্যান’।</p>
<p>লাশ নিয়ে রিকশা চালক ছুটলো গোরস্তানের দিকে। মাইল দু’এক দূরে গিয়ে পেছনে  তাকিয়ে দেখে তাদের কোন খবর নেই। সে ভাবলো মনে হয় রিকশা পায়নি তাই দেরি  হচ্ছে, সে আবার রিকশা চালাতে লাগল। মাটির পথের দু’ধারে কড়ই, মেহেগুনী আর  কৃষ্ণচূড়া গাছের সারি, এরই মধ্যে সন্ধ্যা হয়ে গেছে, ঘুট ঘুট অন্ধকার কিছুই  দেখা যাচ্ছে না। সে ভাবলো হারিকেনটা জ্বালিয়ে নেই। হারিকেন জ্বালিয়ে কিছু  দূর  যেতেই ধপাস করে একটা ছোট গর্তে ধাক্কা খেল, ওমনিতেই কে যেন বলে উঠল  ‘অই আসতে চালা’।</p>
<p>রিকশা চালক ডানে বামে তাকিয়ে দেখে কেউ নাই শুধু অন্ধকার আর ঝিঁঝিঁ পোকার  চিং চিং করে করে শব্দ করছে যেন কানের পর্দা ফেটে যাবে। সে ভাবল ‘দূর মনে  অয় বুল শুনচ্ছি, লাশ কি আর কথা কয়’। এই বলে সে আবার চালাতে লাগলো। কিছু দূর  যেতেই আবার এক গর্তে ঝাকি লাগলো, ওমনিতেই আবার কে যেন বলে উঠলো ‘অই কইছি  না আসতে চালা ব্যাথা পাই’। এবার তো ভয়ই পেয়ে গেল সে এবং ভয়ে জোড়ে জোড়ে  চালাতে লাগলো।</p>
<p>আবার কিছু দুর যেতেই এক গর্তে ধপাস, লাশ পরে গেল মাটিতে ওমনিতেই ‘মাগো  বাবাগো ঘারটা ভাইঙ্গা ফালাইসে, ব্যাটা তরেনা কইছি আসতে চালাইতে, খাড়া আইছকা  তরে খাইছি, তর ঘার মটকাইয়া খামু’। রিকশা চালক দেখে লাশ নেড়ে চড়ে আবার গালা  গালিও করে। ‘খাইছে লাশ দেহি আন্ধার পাইয়া জ্যাতা অইয়া গ্যাছে, ওরে বাবারে,  আল্লারে বাচাঁও&#8230;. ভূত&#8230;.ভূত&#8230;&#8230;!’ এই বলে রিকশা চালক এলোপাথারি ধান  খেতের উপর দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর ঐ দুইটা লোক অন্য একটা রিকশা  করে এসে মুঠো বাধাঁ লাশটা খুলে রিকশা নিয়ে পলিয়ে গেল। দেখা গেল এতো লাশও না  ভূতও না এ যে জীবিত মানুষ। এতো অভিনব পন্থায় রিকশা চুরির কৌশল।</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ছোট হয়ে আসছে চাঁদ মামা!</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 30 Aug 2010 05:34:12 +0000</pubDate>
		<dc:creator>arman</dc:creator>
				<category><![CDATA[সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=200</guid>
		<description><![CDATA[হাসিবুল হাসান আশিক ছোট হয়ে আসছে তোমাদের চাঁদ মামা। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, চাঁদ মামা ছোট হতে হতে একসময় হারিয়েও যেতে পারে। অথচ খুব ছোট্টবেলায় চাঁদ মামার গল্প আর ঘুমপাড়ানিয়া গান না শুনে ঘুম আসতো না তোমাদের। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র বিজ্ঞানীরা নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর মাপজোক করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন৷ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অনেকদিন ধরেই নাকি চাঁদের আয়তনে এই পরিবর্তন ঘটছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই পরিবর্তনের গতি কিছুটা বেড়ে গেছে৷ আসলে জন্মের পর থেকেই চাঁদের তাপমাত্রা কমছে। শীতকালে চাঁদের আকার সংকুচিত হয়ে যায়৷ বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, আজ থেকে কোটি কোটি বছর আগে চাঁদের এই পরিবর্তন বন্ধ হয়েছিলো। কিন্তু আসলে সেই পরিবর্তন এখনো ঘটে চলেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><img class="alignleft" src="http://www.banglanews24.org/newlocation/images/imgAll/out20100823121202.jpg" alt="" width="320" height="216" />হাসিবুল হাসান আশিক</p>
<p style="text-align: justify;">ছোট হয়ে আসছে তোমাদের চাঁদ মামা। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, চাঁদ মামা ছোট হতে হতে একসময় হারিয়েও যেতে পারে। অথচ খুব ছোট্টবেলায় চাঁদ মামার গল্প আর ঘুমপাড়ানিয়া গান না শুনে ঘুম আসতো না তোমাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র বিজ্ঞানীরা নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর মাপজোক করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন৷</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অনেকদিন ধরেই নাকি চাঁদের আয়তনে এই পরিবর্তন ঘটছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই পরিবর্তনের গতি কিছুটা বেড়ে গেছে৷ আসলে জন্মের পর থেকেই চাঁদের তাপমাত্রা কমছে। শীতকালে চাঁদের আকার সংকুচিত হয়ে যায়৷</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞানীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, আজ থেকে কোটি কোটি বছর আগে চাঁদের এই পরিবর্তন বন্ধ হয়েছিলো। কিন্তু আসলে সেই পরিবর্তন এখনো ঘটে চলেছে।</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f-%e0%a6%b9%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানে না শিশুরা!</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Aug 2010 11:46:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>arman</dc:creator>
				<category><![CDATA[তোমাদের লেখা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=190</guid>
		<description><![CDATA[আসমাউল হোসনা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি, যার বজ্রকণ্ঠের আহবানে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল লাখো বাঙালি তাঁর নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধপরবর্তী সময়ে তাঁকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে উপাধি দেয়া হয়। কিন্তু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি এই জাতির পিতা সম্পর্কে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য জানা নেই নতুন প্রজন্মের শিশুদের। তারা শুধু এটুকুই জানে যে, সরকার পরিবর্তনের  সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় ১৫ আগস্টের ছুটি। বাসাবো উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আনিকা মাহমুদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৫ আগস্ট সরকারি ছুটি আর এদিন বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী সে শুধু এটুকুই জানে। তার মতো বুশরা, সাদিয়া, তিশা, সিফাতের জানার পরিধিও এমনটাই সীমিত। স্কুল ছুটির পর এসব শিশুকে নিতে আসা অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা চান শিশুরা যেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসটা জানে। কারণ এর মাধ্যমে শিশুরা নিজেদের আত্মপরিচয় খুঁজে পাবে, যা তাদের আদর্শ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। অভিভাবক আমিনুল ইসলাম জানান, সরকারের পাশপাশি এ ব্যাপারে আমাদেরও সচেতন হতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বেশি বেশি মুক্তিযুদ্ধের বই পড়তে উৎসাহিত করতে হবে। এদিকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে পাঠ্যবইয়ে বিভিন্ন রকম লেখা থাকলেও দিন দিন সেগুলো বিকৃত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ অনেক অভিভাবকের। এ বিষয়ে তারা পাঠ্যপুস্তক সংস্করণ ও সংশোধনের কাজের সঙ্গে যুক্তদের উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong><a rel="attachment wp-att-193" href="http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95/akhy/"><img class="alignleft size-full wp-image-193" title="Akhy" src="http://childrenvoice.com/wp-content/uploads/2010/08/Akhy.jpg" alt="" width="157" height="144" /></a>আসমাউল হোসনা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি, যার বজ্রকণ্ঠের আহবানে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল লাখো বাঙালি তাঁর নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধপরবর্তী সময়ে তাঁকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে উপাধি দেয়া হয়। কিন্তু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি এই জাতির পিতা সম্পর্কে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য জানা নেই নতুন প্রজন্মের শিশুদের। তারা শুধু এটুকুই জানে যে, সরকার পরিবর্তনের  সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় ১৫ আগস্টের ছুটি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাসাবো উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আনিকা মাহমুদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৫ আগস্ট সরকারি ছুটি আর এদিন বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী সে শুধু এটুকুই জানে। তার মতো বুশরা, সাদিয়া, তিশা, সিফাতের জানার পরিধিও এমনটাই সীমিত।</p>
<p style="text-align: justify;">স্কুল ছুটির পর এসব শিশুকে নিতে আসা অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা চান শিশুরা যেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসটা জানে। কারণ এর মাধ্যমে শিশুরা নিজেদের আত্মপরিচয় খুঁজে পাবে, যা তাদের আদর্শ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিভাবক আমিনুল ইসলাম জানান, সরকারের পাশপাশি এ ব্যাপারে আমাদেরও সচেতন হতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বেশি বেশি মুক্তিযুদ্ধের বই পড়তে উৎসাহিত করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে পাঠ্যবইয়ে বিভিন্ন রকম লেখা থাকলেও দিন দিন সেগুলো বিকৃত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ অনেক অভিভাবকের। এ বিষয়ে তারা পাঠ্যপুস্তক সংস্করণ ও সংশোধনের কাজের সঙ্গে যুক্তদের উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান।</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ছুটি! গরম গরম রুটি!!</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/vacancy/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/vacancy/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 17 Aug 2010 16:20:12 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Ashik</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসকুল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=183</guid>
		<description><![CDATA[সারওয়ার রেজা ব্যাকগ্রাউন্ডে ঢং ঢং ঘন্টার আওয়াজ! দলে দলে ছেলেমেয়েরা চিল-চিৎকারে গগণ ফাটিয়ে ছুটে বেরিয়ে আসছে ক্লাস থেকে-ছুটি-ই-ই-ই&#8230;&#8230;&#8230;! আহা ছুটি! আজকাল কি ঘন্টা বাজে? বুড়ো দপ্তরি হরিপদ একহাতে পিতলের ভারি ঘন্টা নিয়ে আরেক হাতের কাঠের হাতুড়ির ঘায়ে স্কুল জীবনের সবচেয়ে মধুর ধ্বনি শোনায়? ঘন্টা না বাজুক, হরিপদেরা থাকুক, না-ই থাকুক ছুটি আজও হয়। ‘কি করি আজ ভেবে না পাই’ ছুটি। বই-খাতা-পরীক্ষা সেলফে তুলে রেখে পথ হারিয়ে কোথায় কোথায় হারিয়ে যাওয়ার ছুটি। ঈদকে সামনে রেখে তেমনি ছুটিতে মেতে ওঠার সময় এলো আবার। সরকার ১৬ আগস্ট থেকে টানা একমাসের ছুটি ঘোষণা করেছে সব স্কুল-মাদ্রাসায়! সেই সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখ পর্যন্ত! মাদ্রাসায় যারা পড়ছো তারা আরো তিনটি দিন বাড়িয়ে নাও। এর মাঝে শুধু যাদের পরীক্ষার তারিখ পড়েছিল, তাদের মজায় ছাড় দিতে হবে একটু আধটু। পরীক্ষাগুলো কিন্তু হবে। তাতে কী! ক্লাস তো আর নেই! নেই টিচারের বকা-ঝকাও। সুতরাং ইচ্ছে মতো ঘুমোও, খেলতে নামো হৈ হৈ করে, গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে যাবতীয় দস্যিপনা ঝালিয়ে নাও। কেউ বকবেনা। আর বকলেই বা কি! ছুটিতে ওসবে থোড়াই পরোয়া!]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: left;"><a href="http://childrenvoice.com/2010/08/vacancy/pic170810/"><img class="size-medium wp-image-185  aligncenter" title="pic170810" src="http://childrenvoice.com/wp-content/uploads/2010/08/T1P_1803-sm20100815204700-300x198.jpg" alt="" width="300" height="198" /></a>সারওয়ার রেজা</p>
<p>ব্যাকগ্রাউন্ডে ঢং ঢং ঘন্টার আওয়াজ! দলে দলে ছেলেমেয়েরা চিল-চিৎকারে গগণ ফাটিয়ে ছুটে বেরিয়ে আসছে ক্লাস থেকে-ছুটি-ই-ই-ই&#8230;&#8230;&#8230;!</p>
<p>আহা ছুটি!</p>
<p>আজকাল কি ঘন্টা বাজে? বুড়ো দপ্তরি হরিপদ একহাতে পিতলের ভারি ঘন্টা নিয়ে আরেক হাতের কাঠের হাতুড়ির ঘায়ে স্কুল জীবনের সবচেয়ে মধুর ধ্বনি শোনায়?</p>
<p>ঘন্টা না বাজুক, হরিপদেরা থাকুক, না-ই থাকুক ছুটি আজও হয়। ‘কি করি আজ ভেবে না পাই’ ছুটি। বই-খাতা-পরীক্ষা সেলফে তুলে রেখে পথ হারিয়ে কোথায় কোথায় হারিয়ে যাওয়ার ছুটি।</p>
<p>ঈদকে সামনে রেখে তেমনি ছুটিতে মেতে ওঠার সময় এলো আবার। সরকার ১৬ আগস্ট থেকে টানা একমাসের ছুটি ঘোষণা করেছে সব স্কুল-মাদ্রাসায়! সেই সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখ পর্যন্ত! মাদ্রাসায় যারা পড়ছো তারা আরো তিনটি দিন বাড়িয়ে নাও। এর মাঝে শুধু যাদের পরীক্ষার তারিখ পড়েছিল, তাদের মজায় ছাড় দিতে হবে একটু আধটু। পরীক্ষাগুলো কিন্তু হবে। তাতে কী! ক্লাস তো আর নেই! নেই টিচারের বকা-ঝকাও।</p>
<p>সুতরাং ইচ্ছে মতো ঘুমোও, খেলতে নামো হৈ হৈ করে, গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে যাবতীয় দস্যিপনা ঝালিয়ে নাও। কেউ বকবেনা। আর বকলেই বা কি! ছুটিতে ওসবে থোড়াই পরোয়া!</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/vacancy/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বেত্রাঘাত থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্তি</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 10 Aug 2010 07:27:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>arman</dc:creator>
				<category><![CDATA[সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=168</guid>
		<description><![CDATA[ঢাকা, আগস্ট ১০ (চিলড্রেন ভয়েস ডট কম) : দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেয়া নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশ দেয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে শারীরিক শাস্তি দেয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়, &#8220;লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, সরকারি-বেসরকারি কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র/ছাত্রীদেরকে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ কর্তৃক প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম শৃঙ্খলা ও পাঠ শিক্ষণে অবহেলা বা অন্যবিধ কারণে অমানবিক ও নির্মম শারীরিক শাস্তি প্রদান করা হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে এ ধরনের সংবাদ প্রায়শই প্রকাশিত হতে দেখা যায়।&#8221; এতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেয়া অসদাচরণ হিসাবে গণ্য করা হবে। শারীরিক শাস্তি প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০ ও ১৯৭৪ সালের শিশু আইন অনুযায়ী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নেবেন। পরিপত্র আরো বলা হয়েছে, শারীরিক শাস্তি প্রদানে শিক্ষার্থীর বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে কাক্ষিত শিক্ষালাভ করা সম্ভব না। এ কারণে শারীরিক শাস্তি প্রদান সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি শারীরিক শাস্তি প্রদানকারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেবেন। এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তর, অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডসমূহের পরিদর্শকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় শারীরিক শাস্তি প্রদানের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং এ বিষয়ে পরিদর্শন প্রতিবেদনে তাদের মতামত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a rel="attachment wp-att-169" href="http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87/teachet/"><img class="aligncenter size-full wp-image-169" title="Teachet" src="http://childrenvoice.com/wp-content/uploads/2010/08/Teachet.jpg" alt="" width="289" height="216" /></a>ঢাকা, আগস্ট ১০ (চিলড্রেন ভয়েস ডট কম) : দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেয়া নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশ দেয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে শারীরিক শাস্তি দেয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিপত্রে বলা হয়, &#8220;লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, সরকারি-বেসরকারি কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র/ছাত্রীদেরকে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ কর্তৃক প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম শৃঙ্খলা ও পাঠ শিক্ষণে অবহেলা বা অন্যবিধ কারণে অমানবিক ও নির্মম শারীরিক শাস্তি প্রদান করা হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে এ ধরনের সংবাদ প্রায়শই প্রকাশিত হতে দেখা যায়।&#8221;</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি দেয়া অসদাচরণ হিসাবে গণ্য করা হবে। শারীরিক শাস্তি প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০ ও ১৯৭৪ সালের শিশু আইন অনুযায়ী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিপত্র আরো বলা হয়েছে, শারীরিক শাস্তি প্রদানে শিক্ষার্থীর বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে কাক্ষিত শিক্ষালাভ করা সম্ভব না। এ কারণে শারীরিক শাস্তি প্রদান সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি শারীরিক শাস্তি প্রদানকারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তর, অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডসমূহের পরিদর্শকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় শারীরিক শাস্তি প্রদানের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং এ বিষয়ে পরিদর্শন প্রতিবেদনে তাদের মতামত উল্লেখ করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি প্রদানের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর সরকার এই পদক্ষেপ নিল।</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাসতে মানা!</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Aug 2010 10:51:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>arman</dc:creator>
				<category><![CDATA[হা হা হি হি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=162</guid>
		<description><![CDATA[(০১) গরু ও ছাগল এক গরু আর এক ছাগল মাঠে ঘাস খাচ্ছিল। কথা কাটাকাটি শুরুর পর এক পর্যায়ে গরু ছাগলকে বলছে গরু: বেটা ছাগল, তুই আসলেই একটা গরু। তখন ছাগল উত্তেজিত হয়ে বলে উঠলো ছাগল : আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি একটা ছাগলের মতো কথা বলছেন। (০২) পয়সা থেকে টাকা ছেলে : বাবা আমার ধারণা, কাল থেকে আমরা অনেক বড়লোক হয়ে যাব । বাবা : কিভাবে? ছেলে : আগামীকাল আমাদের অংকের স্যার, কীভাবে পয়সাকে টাকা বানাতে হয় তা শেখাবে (০৩) উকিল বাবা শিক্ষক বললেন, লেখাপড়ায় তুমি বেজায় খারাপ করছো, কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে, তার সাথে পরামর্শ করতে হবে । : কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার । : ফি ! কিসের জন্য? : আমার বাবাযে উকিল। ফি ছাড়া তো পরামর্শ করেন না । (০৪) গরু রচনা শিক্ষক : কিরে কামাল, তোর আর তুহিনের গরুর রচনা হুবহু এক রকম হলো কী করে? কামাল : স্যার আমরা দুজনে একই গরু দেখে লিখেছি যে ! সংগ্রহে : তৌফিকুল ইসলাম]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a rel="attachment wp-att-163" href="http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/jokes/"><img class="aligncenter size-full wp-image-163" title="Jokes" src="http://childrenvoice.com/wp-content/uploads/2010/08/Jokes.jpg" alt="" width="480" height="353" /></a>(০১)<br />
<strong>গরু ও ছাগল</strong><br />
এক গরু আর এক ছাগল মাঠে ঘাস খাচ্ছিল।<br />
কথা কাটাকাটি শুরুর পর এক পর্যায়ে গরু ছাগলকে বলছে<br />
গরু: বেটা ছাগল, তুই আসলেই একটা গরু।<br />
তখন ছাগল উত্তেজিত হয়ে বলে উঠলো<br />
ছাগল : আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি একটা ছাগলের মতো কথা বলছেন।</p>
<p>(০২)<br />
<strong>পয়সা থেকে টাকা</strong><br />
ছেলে : বাবা আমার ধারণা, কাল থেকে আমরা অনেক বড়লোক হয়ে যাব ।<br />
বাবা : কিভাবে?<br />
ছেলে : আগামীকাল আমাদের অংকের স্যার, কীভাবে পয়সাকে টাকা বানাতে হয় তা শেখাবে</p>
<p>(০৩)<br />
<strong>উকিল বাবা</strong><br />
শিক্ষক বললেন, লেখাপড়ায় তুমি বেজায় খারাপ করছো, কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে, তার সাথে পরামর্শ করতে হবে ।<br />
: কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার ।<br />
: ফি ! কিসের জন্য?<br />
: আমার বাবাযে উকিল। ফি ছাড়া তো পরামর্শ করেন না ।</p>
<p>(০৪)<br />
<strong>গরু রচনা</strong><br />
শিক্ষক : কিরে কামাল, তোর আর তুহিনের গরুর রচনা হুবহু এক রকম হলো কী করে?<br />
কামাল : স্যার আমরা দুজনে একই গরু দেখে লিখেছি যে !</p>
<p>সংগ্রহে : তৌফিকুল ইসলাম</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ছোটদের রবীন্দ্র</title>
		<link>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
		<comments>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 07 Aug 2010 04:18:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>arman</dc:creator>
				<category><![CDATA[সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://childrenvoice.com/?p=149</guid>
		<description><![CDATA[মনোয়ারুল ইসলাম ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা কি জানো ৬ আগস্ট কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪১ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তার শৈশব এখনও তোমাদের চিন্তা চেতনাকে নাড়া দিতে পারে। কারণ মাত্র আট বছর বয়সেই তিনি প্রথম কাব্য রচনা করেন। আর ১৮৭৭ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। তবে মজার বিষয় হচ্ছে তার প্রথম কবিতাটি কিন্তু নিজের নামে প্রকাশিত হয়নি। ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। একই বছরে তিনি প্রথম ছোটগল্প ও নাটক রচনা করেন। তোমাদের জন্য রয়েছে তার মজার মজার সব লেখা। তোমাদের প্রিয় গান আমরা সবাই রাজা, আজ ধানের ক্ষেতে , মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, হারে রে রে রে রে&#8230; গানগুলোও কিন্তু রবীন্দ্রনাথেরই সৃষ্টি। তিনি তোমাদের জন্য বেশকিছু মজার ছড়া-কবিতাও রচনা করেছেন। এর মধ্যে ঠাকুরদাদার ছুটি, মোতিবিলি, ভয়, ঘাসে আছে ভিটামিন অন্যতম।﻿]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><img class="alignleft" src="http://www.banglanews24.org/newlocation/images/imgAll/Rabindra20100807103552.jpg" alt="" width="220" height="298" />মনোয়ারুল ইসলাম<br />
ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা কি জানো ৬ আগস্ট কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪১ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তার শৈশব এখনও তোমাদের চিন্তা চেতনাকে নাড়া দিতে পারে। কারণ মাত্র আট বছর বয়সেই তিনি প্রথম কাব্য রচনা করেন। আর ১৮৭৭ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। তবে মজার বিষয় হচ্ছে তার প্রথম কবিতাটি কিন্তু নিজের নামে প্রকাশিত হয়নি। ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। একই বছরে তিনি প্রথম ছোটগল্প ও নাটক রচনা করেন। তোমাদের জন্য রয়েছে তার মজার মজার সব লেখা। তোমাদের প্রিয় গান আমরা সবাই রাজা, আজ ধানের ক্ষেতে , মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, হারে রে রে রে রে&#8230; গানগুলোও কিন্তু রবীন্দ্রনাথেরই সৃষ্টি। তিনি তোমাদের জন্য বেশকিছু মজার ছড়া-কবিতাও রচনা করেছেন। এর মধ্যে ঠাকুরদাদার ছুটি, মোতিবিলি, ভয়, ঘাসে আছে ভিটামিন অন্যতম।﻿</p>
<p><a class="a2a_dd addtoany_share_save" href="http://www.addtoany.com/share_save"><img src="http://childrenvoice.com/wp-content/plugins/add-to-any/share_save_171_16.png" width="171" height="16" alt="Share/Bookmark"/></a> </p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://childrenvoice.com/2010/08/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
